বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
বকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দবকশীগঞ্জ সীমান্তে ৫৬৭ পিস ভারতীয় কসমেটিকস পণ্য জব্দ লালমনিরহাটে থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগীদের আজীবন ফ্রি রক্ত দেবে ‘বিডিএসএল’ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী সদস্য সংগ্রহ করছে ‘রক্তদাতা যুব সেবা কল্যাণ সংগঠন’ লালমনিরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, আহত ৩ লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে আরও একটি ট্র্যাজেডি, উদ্ধার কাজে ফায়ার সার্ভিস লালমনিরহাটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাব্বি গ্রেফতার কমলনগরে হাম প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ‘ইন্টেন্সিফাইড এমআর ক্যাচ-আপ’ টিকাদান কার্যক্রম লালমনিরহাট শহরে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালস্কার চুরি চরফ্যাশনে ফোনে ডেকে নেওয়ার পর নিখোঁজ, ডোবা থেকে গলা ও পেট কাটা মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজনের ঘরে বিক্ষুব্ধ জনতার আগুন চরফ্যাশনে ঝড়ের কবলে মাছ ধরা ট্রলার লণ্ডভণ্ড, বনের গাছে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বাঁচলেন ৬ জেলে
লালমনিরহাটে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা দাবি, মহিলা দল নেত্রী বহিষ্কার

লালমনিরহাটে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে টাকা দাবি, মহিলা দল নেত্রী বহিষ্কার

ডেস্ক রিপোর্ট :: ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর লালমনিরহাট জেলা মহিলা দলের সহসভাপতি শেলী খাতুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলা। বহিষ্কৃত শেলী খাতুন লালমনিরহাট শহরের আলোরূপা এলাকার বাসিন্দা।

জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট জিন্নাত ফেরদৌস আরা রোজী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলার যৌথ স্বাক্ষরিত বহিষ্কারপত্রে জানানো হয়, শেলী খাতুন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক স্বার্থে দলীয় পদ-পদবি ব্যবহার করে দলের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছেন। এ ছাড়া দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, চাঁদা দাবি এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আঞ্জুমান আরা শাপলা বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের নামে চাঁদাবাজির জেরে একটি মারধরের ঘটনার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা মিললে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকে শেলী খাতুনকে দল থেকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় পদ-পদবি ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে শেলী খাতুন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন। ফ্যামিলি কার্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে তিনি এলাকার দরিদ্র নারীদের কাছ থেকে কার্ডপ্রতি ১০ হাজার টাকা করে দাবি করেন। ইতিমধ্যে অন্তত চারজন নারী তার দাবি করা টাকা পরিশোধ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগী আলেয়া বেওয়া (৫৫) নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দিনমজুরি করে কোনোমতে আমার সংসার চলে। শেলী খাতুন আগে আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি নেন। পরে সাফ জানিয়ে দেন—১০ হাজার টাকা না দিলে কোনো ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে না।

অভিযোগের জেরে গত ৫ আগস্ট রাতে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী নারীরা শেলী খাতুনকে ডেকে এনে জবাবদিহি চান। এ সময় তিনি টাকা না দিলে কার্ড মিলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলে এলাকায় চরম উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে উপস্থিত নারীরা তাকে গণধোলাই দেন।


তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেলী খাতুন। তার দাবি, আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। একটি কুচক্রী মহল ফ্যামিলি কার্ডের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমাকে ফাঁসিয়েছে এবং দল থেকে বহিষ্কার করিয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com